|
সবার জন্য তথ্য শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা |
|
Written by জাবেদ সুলতান পিয়াস
|
|
বৃহস্পতিবার, 18 জানুয়ারী 2007 |
|
তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের এ যুগে আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া তথ্যের স্বাধীনতা। এই তথ্যের ব্যবহার এখন সর্বত্র। আমাদের তথ্যের এই স্বাধীনতাটা কাজে লাগাতে হবে। গত সোমবার ঢাকায় বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি আয়োজিত তৃতীয় জহুরুল হক-আব্দুল্লাহ আল মুতী স্নারক বক্তৃতামালায় ‘সবার জন্য তথ্য’ শীর্ষক এক বক্তৃতামালায় বক্তারা এ কথা বলেন।
আলোচনায় বিজ্ঞানের সব শাখায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের নানা দিক উঠে আসে। এতে ‘উইকিপিডিয়া: সবার জন্য উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার’ শীর্ষক আলোচনায় ইন্টারনেটে বাংলা ভাষার সবচেয়ে বড় ও উন্মুক্ত বিশ্বকোষ বাংলা উইকিপিডিয়ার (http://bn.wikipedia.org) বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বাংলা উইকিপিডিয়ার প্রশাসক এবং একমাত্র নীতিনির্ধারক যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনর অ্যাট আরবানা শ্যাম্পেইনের পিএইচডি গবেষক রাগিব হাসান। তিনি বলেন, আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে রক্ষা করার কাজটা বিদেশ থেকে এসে কেউ করে দেবে না, এটা আমাদের নিজেদেরই করতে হবে। আর দেশের জন্য কিছু করার তাগিদেই ইন্টারনেটে সবচেয়ে বড় বাংলা ওয়েবসাইট এবং বৃহত্তম বাংলা বিশ্বকোষে সবার অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানান রাগিব হাসান। জীববিজ্ঞানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কিত বিষয়ে বত্তৃদ্ধতা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. জেসমিন। ‘বায়োইনফরমেটিক্স: জীবনের জন্য তথ্য’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি বায়োইনফরমেটিক্স বা জৈব তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অবাধ তথ্যপ্রবাহের সুযোগে জৈব তথ্যপ্রযুক্তির সমৃদ্ধ তথ্যভাণ্ডার এখন সবার নাগালের মধ্যে। একটি কম্পিউটার আর জীববিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা থাকলে যে কেউ বিজ্ঞানের এই বিরাট কর্মযজ্ঞে অংশ নিতে পারে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান, বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের এফ আর সরকারসহ শতাধিক বিজ্ঞানপিপাসু মানুষ। বক্তৃতা শেষে ছিল বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর পর্ব। অনুষ্ঠানে বিজ্ঞানী আবদুল্লাহ আল মুতী ও জহুরুল হকের জীবনকর্ম নিয়ে একটি ভিডিও চিত্র প্রকাশ করা হয়।
|